সর্বশেষ
আমিরাতে হঠাৎ ভিসা বাতিলের আতঙ্ক, বিপাকে হাজারো বাংলাদেশি প্রবাসী শেখ হাসিনা আত্মসমর্পণ করতে চাইলে হয়তো আগেই গ্রেপ্তার করা হবে : আইনমন্ত্রী বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গা ফেরত নিতে চেয়েছে মিয়ানমার : আনোয়ার ইব্রাহিম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর নিয়ে অধীর অপেক্ষায় ভারত সৌদি আরব বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু টাওয়ার বানাচ্ছে যুদ্ধ কি আরও বিস্তৃত হতে পারে মধ্যপ্রাচ্যে? আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন নেইমার যুদ্ধের চাপ সামলে ইরানের অর্থনীতি কীভাবে টিকে আছে? বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারের মান নিয়ে যা বলল এইচআরডব্লিউ ভারত বা যুক্তরাষ্ট্র কারও আধিপত্য মেনে নেব না : নাহিদ ইসলাম

বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনা

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশ : ১৬ জুলাই ২০২৬ | ৯:৫৯ এএম

বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনা

ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারিয়েছে আর্জেন্টিনা। ম্যাচ শেষ হয়েছে ২-১ গোলে। এই জয়ে টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে উঠল আর্জেন্টিনা। ২০২২ সালের শিরোপা ধরে রাখার সুযোগ পাচ্ছে তারা আগামী রোববার।

ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দল শারীরিক ফুটবল খেলেছে। দ্বিতীয় মিনিটেই লিয়ান্দ্রো পারেদেস ধাক্কা দেন জুড বেলিংহামকে। এরপর থেকে দুই দলই একে অপরকে চাপে রাখার চেষ্টা করে। প্রথম কোয়ার্টারে কোনো দলই গোলের ভালো সুযোগ পায়নি।

১৯ মিনিটে প্রথম সেভ করেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। মরগান রজার্সের একটি ক্রস বক্সে ঠিকভাবে ধরতে পারেননি তিনি। তবে বিপদ হতে দেননি। ৩৫ মিনিটে প্রথম হলুদ কার্ড দেখেন এলিয়ট অ্যান্ডারসন। মেসিকে ফাউল করার জন্য তাকে কার্ড দেখান রেফারি। এর কিছুক্ষণ পরই হলুদ কার্ড দেখেন লিসান্দ্রো মার্তিনেজও। জেড স্পেন্সকে আটকাতে গিয়ে জার্সি টেনে ধরেন তিনি।

প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশূন্য অবস্থায়। তবে কার্ডের হিসাবে দুই দলই সমান ছিল। এই বিশ্বকাপে প্রথমবার প্রথমার্ধে গোল পায়নি আর্জেন্টিনা। এর আগে প্রতিটি ম্যাচেই প্রথমার্ধে গোল করেছিল তারা, শুধু মিশর ম্যাচ বাদে।

দ্বিতীয়ার্ধে খেলার ধরন পাল্টায়। ৫৫ মিনিটে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। মরগান রজার্সের ক্রস থেকে গোল করেন অ্যান্থনি গর্ডন। এরপর ক্রিশ্চিয়ান রোমেরোও হলুদ কার্ড দেখেন বেলিংহামকে ফাউল করে। এতে দুই সেন্টারব্যাকই লাল কার্ডের শঙ্কায় পড়ে যান।

খেলা যখন শেষের দিকে, তখন একের পর এক আক্রমণ করতে থাকে আর্জেন্টিনা। মেসির ক্রস থেকে নিকো গনসালেসের হেড ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ড। এক মিনিট পরই আরেকটি হেড রুখে দেন তিনি। তবে ৮৬ মিনিটে আর ঠেকাতে পারেননি। ৭ মিনিটের পাগলামির শুরু সেখানেই। শর্ট কর্নার থেকে বল পেয়ে সমতা ফেরান এনজো ফের্নান্দেস। এর আগে তিনি অন্তত তিনবার চেষ্টা করেছিলেন গোলের জন্য।

শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ভাগ্য গড়ে যোগ করা সময়ে। রেফারি ৯ মিনিট বাড়তি সময় দিয়েছিলেন। সেই সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে মেসির দারুণ এক ক্রসে হেড করেন লাউতারো মার্তিনেজ। বল জড়িয়ে যায় ইংল্যান্ডের জালে। এই গোলেই ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। এরপর আর কোনো গোল হয়নি। বাঁশি বাজতেই নিশ্চিত হয়ে যায় আর্জেন্টিনার ফাইনালে যাওয়া।

Default Advertisement

© 2026 Times of Asia 24 কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

Design and Development by : webnewsdesign.com