সর্বশেষ
থানার মূল ফটক বন্ধ রেখে ওসির ছেলের জন্মদিন, ভিডিও ভাইরাল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অগ্নিকাণ্ডে ১০টি বসতঘর ভস্মিভূত বগুড়ার শাজাহানপুরে মাইক্রোবাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৭ বিমান বাহিনীর ১৩২তম জুনিয়র কমান্ড ও স্টাফ কোর্সের সনদ বিতরণ পরীক্ষা শেষে জানুয়ারিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি আনোয়ারুল দাউদকান্দিতে মহাসড়কের মাঝখানে বাস উল্টে আহত ২৫ জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে ভারতের স্থায়ী সদস্যপদে ৪ ইউরোপীয় দেশের সমর্থন জাপানকে হারিয়ে এশিয়ান গেমসে আফগানিস্তানের দারুণ শুরু চীন-যুক্তরাষ্ট্রকে ‘প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, অংশীদার’ হওয়ার আহ্বান শি জিনপিং নিরাপদ ও টেকসই ভবিষ্যৎ গড়তে বিশ্বনেতাদের একসঙ্গে কাজের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সিলেটে শিশু ফাহিমা হত্যা: প্রধান আসামির মৃত্যুদণ্ড, দুই ভাই খালাস

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ০৬ অগাস্ট ২০২৬ | ৪:৫৫ পিএম

সিলেটে শিশু ফাহিমা হত্যা: প্রধান আসামির মৃত্যুদণ্ড, দুই ভাই খালাস

সিলেটের বহুল আলোচিত চার বছরের শিশু ফাহিমা আক্তার হত্যা মামলায় প্রধান আসামি জাকির হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তবে একই মামলায় অভিযুক্ত জাকিরের দুই ভাই জয়নাল আহমদ ও আবুল কালামকে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সিলেট নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবু উবায়দা এ রায় ঘোষণা করেন। হত্যাকাণ্ডের মাত্র তিন মাসের মাথায় মামলার বিচার কার্যক্রম শেষ করে এ রায় দেওয়া হলো। এর আগে ঘটনার এক মাস পাঁচ দিনের মধ্যে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

অভিযোগপত্রে জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যার অভিযোগ আনা হয়। এছাড়া মরদেহ গুমে সহযোগিতার অভিযোগে তার দুই ভাই জয়নাল আহমদ ও আবুল কালামকে আসামি করা হয়েছিল।

নিহত ফাহিমা আক্তার সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নের সোনাতলা গ্রামের দিনমজুর রাইসুল হকের মেয়ে। দণ্ডপ্রাপ্ত জাকির হোসেন (৩০) একই গ্রামের বাসিন্দা এবং ফাহিমাদের প্রতিবেশী। তিনি মৃত তোতা মিয়ার ছেলে।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গত ৬ মে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় ফাহিমা। দুই দিন পর ৮ মে রাতে বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ১১ মে রাতে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে প্রতিবেশী জাকির হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তদন্ত চলাকালে জাকির পুলিশ ও আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে হত্যার দায় স্বীকার করেন। জবানবন্দি অনুযায়ী, সিগারেট আনার কথা বলে তিনি শিশুটিকে দোকানে পাঠান। ফেরার পর ঘর ফাঁকা পেয়ে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এ সময় শিশুটি অচেতন হয়ে পড়লে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। পরে মরদেহ গুমের চেষ্টা ব্যর্থ হলে বাড়ির পাশের একটি পুকুরসংলগ্ন ডোবায় মরদেহ ফেলে দেন বলে তিনি জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন।

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

© 2026 Times of Asia 24 কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

Design and Development by : webnewsdesign.com