ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১১:৩৩ এএম

ফাইল ছবি
হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে পাল্টা হামলা জোরদারের দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। বাহিনীটির দাবি, তারা দুটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ও আটটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালিয়েছে। পাশাপাশি আরও ১০টি ‘নিয়ম লঙ্ঘনকারী জাহাজ’ লক্ষ্যবস্তু করার কথাও জানিয়েছে তারা।
ইরানের আধা-সরকারি বার্তাসংস্থা তাসনিমের বরাত দিয়ে আল জাজিরা জানিয়েছে, পাঁচটি ইরানি তেলবাহী ট্যাংকারে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে এসব অভিযান চালানো হয়েছে বলে বিবৃতিতে জানিয়েছে আইআরজিসি।
বিবৃতিতে আইআরজিসি যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ‘আগ্রাসন ও শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ডের’ অভিযোগ তুলে বলেছে, মার্কিন উসকানি ও সহযোগিতায় ১০টি জাহাজ হরমুজ প্রণালির ‘নিষিদ্ধ ও অনিরাপদ অঞ্চল’ দিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল। এ কারণে সেগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়।
ইরানি বাহিনী আরও দাবি করেছে, হরমুজ প্রণালি এখনো তাদের কঠোর নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রয়েছে। এর আগে মার্কিন নৌবাহিনীর ডিডিজি-১১৯ ও ডিডিজি-৫৩ ডেস্ট্রয়ারে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবিও করেছিল আইআরজিসি। ওই হামলায় জাহাজ দুটিতে উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি তাদের।
তবে ইরানের এসব দাবি অস্বীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। তাদের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গত দুই দিনে আইআরজিসি একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজে দুবার হামলার চেষ্টা করেছিল। তবে জাহাজটি সফলভাবে হামলা এড়িয়ে যায় এবং এতে কোনো মার্কিন সেনা বা কর্মী আহত হননি।
সেন্টকম জানিয়েছে, এর পর পাল্টা অভিযানে ইরানের কয়েকটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালানো হয়। হামলার শিকার ট্যাংকারগুলোর মধ্যে রয়েছে এম/টি কাভিজ, এম/টি চারমিনার, এম/টি হরাইজন-১ ও এম/টি রিয়েস্কো। এসব জাহাজ তখন ওমান উপসাগরে অবস্থান করছিল।
এ ছাড়া খার্গ দ্বীপের কাছে এম/টি দেরিয়া নামের আরও একটি ট্যাংকারে হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে সেন্টকম।
মার্কিন বাহিনীর দাবি, হামলার আগে ট্যাংকারগুলোর কর্মীদের জাহাজ থেকে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। পরে জাহাজগুলোতে হামলা চালিয়ে সেগুলো অচল করে দেওয়া হয়।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টাপাল্টি হামলার এসব দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।



© 2026 Times of Asia 24 কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত