সর্বশেষ
চিকিৎসকদের অবহেলায় রোগীর ক্ষতি যেন না হয়: প্রতিমন্ত্রী টুকু ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ সাবেক মিস সুইজারল্যান্ডের আইনজীবী তালিকাভুক্তিতে সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩৫ বছর, কার্যকর ২০৩০ থেকে গাজায় গণহত্যা অব্যাহত, ইসরায়েলের বিরুদ্ধে জাতিসংঘের নতুন অভিযোগ টুপটুপ রেস্তোরাঁয় আগুনে নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, নিখোঁজ শিক্ষিকা মুক্তা জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব হবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি: তারেক রহমান একাদশে ভর্তির আবেদনের শেষ সুযোগ আজ, রাত ৮টায় শেষ হচ্ছে সময় গাজীপুরে ঝুটের গোডাউনে আগুন, দেড় ঘণ্টায় নিয়ন্ত্রণে বগুড়ায় আদালত চত্বরে তরুণীকে জোর করে মাইক্রোবাসে তোলার চেষ্টা ব্যালন ডি’অরে ১৩ পুরস্কার, কে জিতলেন কোন বিভাগে

অস্ট্রেলিয়ায় বিদেশি শিক্ষার্থীদের পরিবার আনার সুযোগ বন্ধের উদ্যোগ

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১০:৪১ এএম

অস্ট্রেলিয়ায় বিদেশি শিক্ষার্থীদের পরিবার আনার সুযোগ বন্ধের উদ্যোগ

অস্ট্রেলিয়ায় পড়াশোনার সময় বিদেশি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্বামী, স্ত্রী, সঙ্গী ও সন্তানদের দেশটিতে আনার সুযোগ বন্ধ করার উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। একই সঙ্গে অস্থায়ী অভিবাসীদের ভিসা পরিবর্তনের নিয়মও আরও কঠোর করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) অস্ট্রেলিয়ার সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম এবিসি নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক জাতীয় প্রেস ক্লাবে দেওয়া এক ভাষণে অভিবাসন নীতিতে এসব পরিবর্তনের ঘোষণা দিতে পারেন। তবে তার কার্যালয় এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি।

প্রস্তাবিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৮ সালের মধ্যে অস্ট্রেলিয়ায় মোট বৈদেশিক অভিবাসনের সংখ্যা বর্তমানের প্রায় ৩ লাখ থেকে কমিয়ে ২ লাখ ২৫ হাজারে নামিয়ে আনার লক্ষ্য রয়েছে।

বর্তমানে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের স্বামী, স্ত্রী বা সঙ্গীরা তাদের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে কাজ করতে পারেন। শিক্ষার্থীর পড়াশোনার বিষয় অনুযায়ী তাদের কাজের সময়ের সীমা ভিন্ন হতে পারে। পাশাপাশি ১৮ বছরের কম বয়সী নির্ভরশীল সন্তানদেরও সঙ্গে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

তবে নতুন উদ্যোগ কার্যকর হলে বিদেশি শিক্ষার্থীদের পরিবারের সদস্যদের অস্ট্রেলিয়ায় নিয়ে যাওয়ার এই সুযোগে বড় পরিবর্তন আসতে পারে।

সরকারের এই পরিকল্পনা এমন সময়ে সামনে এলো, যখন দেশটিতে অস্থায়ী অভিবাসন কমানোর দাবি জোরালো হচ্ছে। কট্টর ডানপন্থী ওয়ান নেশন পার্টি জানিয়েছে, আগামী তিন বছরে অস্থায়ী অভিবাসীর সংখ্যা ৭ লাখ ৫০ হাজার কমানোর পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। পরে দলটি বছরে মোট বৈদেশিক অভিবাসন ১ লাখ ৩০ হাজারে সীমিত রাখার লক্ষ্যও জানিয়েছে।

করোনাভাইরাস মহামারির প্রায় দুই বছরের বিধিনিষেধের পর ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে অস্ট্রেলিয়া সীমান্ত খুলে দেয়। এরপর দেশটিতে অভিবাসনের প্রবাহ দ্রুত বাড়তে থাকে। আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী, ভ্রমণকারী ও অস্থায়ী দক্ষ কর্মীদের বড় অংশ এই প্রবাহের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৩০ জুন শেষ হওয়া বছরে অস্ট্রেলিয়ায় মোট বৈদেশিক অভিবাসনের সংখ্যা ছিল ৩ লাখ ৬ হাজার। এর অর্ধেকেরও বেশি ছিলেন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী।

এর আগে ২০২৩ সালে দেশটির মোট বৈদেশিক অভিবাসন সর্বোচ্চ ৫ লাখ ১৮ হাজারে পৌঁছেছিল। ২০২৪ সালে তা কমে দাঁড়ায় ৪ লাখ ২৯ হাজারে।

অভিবাসন বৃদ্ধির ফলে আবাসন ও অবকাঠামোর ওপর চাপ তৈরি হচ্ছে বলে সমালোচকেরা দাবি করে আসছেন। তবে অভিবাসন কমানোর প্রস্তাবিত পদক্ষেপ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় রাজনৈতিক ও সামাজিক বিতর্কও অব্যাহত রয়েছে।

সূত্র: রয়টার্স

Default Advertisement

© 2026 Times of Asia 24 কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

Design and Development by : webnewsdesign.com