সর্বশেষ
জনগণের ভোট ও ম্যান্ডেট নিয়েই রাষ্ট্র পরিচালনা করতে চায় বিএনপি: মীর শাহে আলম বড় সাজ্জাদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী সানি সিদ্ধিরগঞ্জে গ্রেফতার হাকিমির হ্যাটট্রিকে লে আভরকে ৫-১ গোলে বিধ্বস্ত করল পিএসজি বলসোনারোর দেশত্যাগে সহায়তার অভিযোগ, আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূতকে তলব ব্রাজিলের কুমিল্লা বোর্ডে পাসের হার ৪৮.০৪%, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১,৩১৩ জন, ৪ প্রতিষ্ঠানে শতভাগ পাস ২৯৩ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষার্থী ফেল টঙ্গীতে গোপনে ইয়াবা তৈরির কারখানা, আটক ১ এইচএসসি ও সমমানে পাসের হার ৫২.১২%, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪০ হাজার ৮৪ জন ইউরোপের অস্ত্রবাজারে ভারতের দাপট, চার বছরে রপ্তানি ৮৭ কোটি ডলারের সৌদিতে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৭ বাংলাদেশির মরদেহ দেশে, অপেক্ষার অবসান স্বজনদের

প্রতারণা মামলায় জামিন নামঞ্জুর, কারাগারে বিদিশা সিদ্দিক

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২৬ অগাস্ট ২০২৬ | ৬:০৬ পিএম

প্রতারণা মামলায় জামিন নামঞ্জুর, কারাগারে বিদিশা সিদ্দিক

সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর গুলশান থানায় দায়ের করা প্রতারণা মামলায় দুই বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রয়াত হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সাবেক স্ত্রী বিদিশা সিদ্দিককে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদ সাজার বিরুদ্ধে আপিলের শর্তে করা বিদিশার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর আগে গত ২০ মে একই মামলায় বিদিশাকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জামসেদ আলম। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে আরও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন আদালত।

সাজা পরোয়ানার ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে গুলশান-২ নম্বরের একটি রেস্টুরেন্ট থেকে বিদিশা সিদ্দিককে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলার অভিযোগ

২০০৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে মামলাটি দায়ের করেন মোশাররফ হোসেন নামের এক ব্যবসায়ী। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, তিনি মিরপুর-১০ এলাকায় স্যানিটারি পণ্যের আমদানিকারক ও ব্যবসায়ী। ২০০১ সালে বারিধারায় একটি ফ্ল্যাট কেনার জন্য বিদিশার সঙ্গে যোগাযোগ করেন তিনি।

পরে রাজধানীর বারিধারার প্রেসিডেন্ট পার্কের একটি ফ্ল্যাট বিক্রির বিষয়ে তাদের মধ্যে ৮০ লাখ টাকার চুক্তি হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০০১ সালের ১০ জুলাই বিদিশা বাদীকে বনানীর রজনীগন্ধা অফিসে ডেকে তার মনোনীত ব্যক্তি ও বন্ধু আব্দুল রাজ্জাকের নামে ৭৫ লাখ টাকার পে-অর্ডার দিতে বলেন। পরে ব্যাংকের মাধ্যমে ওই টাকা পরিশোধ করেন বাদী। এ সময় উভয়ের মধ্যে বায়নানামাও সম্পাদিত হয়।

চুক্তি অনুযায়ী, রাজউকের অনুমোদন নেওয়ার পর বাকি টাকা পরিশোধ করে ফ্ল্যাটটি রেজিস্ট্রি করে ২০০২ সালের ১০ জুলাইয়ের মধ্যে বাদীকে বুঝিয়ে দেওয়ার কথা ছিল। তবে নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও ফ্ল্যাট বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করা হয়।

পরে ফ্ল্যাট বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য চাপ দিলে টাকা ফেরত দেওয়ার আশ্বাস দেন বিদিশা। ২০০৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি বাদীকে ৭২ লাখ টাকার একটি চেক দেওয়া হয়। তবে ব্যাংকে জমা দেওয়ার পর পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় চেকটি ডিজঅনার হয়।

মামলার অভিযোগে আরও বলা হয়, এরপর বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করে টাকা বা ফ্ল্যাট—কোনোটিই বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি। টাকা ফেরত বা ফ্ল্যাট বুঝিয়ে দেওয়ার দাবি করলে সন্ত্রাসী দিয়ে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করেন বাদী।

এজাহারে দাবি করা হয়, বিদিশা তাকে জানিয়েছিলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের কাছ থেকে টাকা আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাকে অপেক্ষা করতে হবে।

Default Advertisement

© 2026 Times of Asia 24 কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

Design and Development by : webnewsdesign.com