ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ : ০৪ অগাস্ট ২০২৬ | ৪:২৭ পিএম

গুয়াতেমালার সক্রিয় ফুয়েগো আগ্নেয়গিরিতে অগ্ন্যুৎপাতের তীব্রতা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় আশপাশের এলাকা থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।
সোমবার সকাল থেকে শুরু হওয়া অগ্ন্যুৎপাত বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠলে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা ‘কনরেড’ জরুরি ভিত্তিতে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার কার্যক্রম শুরু করে।
সংস্থাটির নির্বাহী সচিব ক্লডিন ওগালদেস জানান, আগ্নেয়গিরির পাদদেশে অবস্থিত ‘এল পোরভেনির’ গ্রাম ও ‘লাস লাহিতাস’ এলাকা থেকে সতর্কতামূলকভাবে প্রায় ৫০টি পরিবারের ২৫০ জনকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ওই এলাকায় কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরি গবেষণা ইনস্টিটিউট জানিয়েছে, ফুয়েগোর জ্বালামুখ থেকে ২০০ থেকে ৩০০ মিটার পর্যন্ত লাভার ফোয়ারা উঠছে। একই সঙ্গে ছাই ও বিষাক্ত গ্যাসের মেঘ তৈরি হচ্ছে এবং পাহাড়ের ঢাল বেয়ে দ্রুতগতিতে নামছে উত্তপ্ত লাভা ও পাইরোক্লাস্টিক প্রবাহ।
নিরাপত্তার স্বার্থে আগ্নেয়গিরির পাশ দিয়ে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় সড়ক-১৪ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আশপাশের এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতেও পাঠদান বন্ধ ঘোষণা করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
মধ্য আমেরিকার অন্যতম সক্রিয় আগ্নেয়গিরি ফুয়েগো। ২০১৮ সালের জুনে এর ভয়াবহ অগ্ন্যুৎপাতে একটি গ্রাম পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায় এবং কয়েকশ মানুষের মৃত্যু হয়। ওই দুর্যোগে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় ১৭ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলেন। এরপরও বিভিন্ন সময় অগ্ন্যুৎপাতের তীব্রতা বেড়ে গেলে স্থানীয় প্রশাসনকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নিতে হয়েছে।



© 2026 Times of Asia 24 কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত