সর্বশেষ
দুই কোটি শিশু টিকা পেয়েছে, আরও ৩৫ লাখকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য ফ্রান্সের শিক্ষা আন্দোলনে ভয়াবহ সংঘাত, কারও কবজি উড়ে গেছে, কেউ হারিয়েছেন চোখ উন্নত জাতি গড়তে শিক্ষায় অবহেলা নয়, শিক্ষকরাই শক্তির মূল ভিত্তি: মঈন খান এক গোল, দুই অ্যাসিস্টে বিদায়ী ম্যাচ রাঙালেন মেসি হরমুজে ফের তেল ট্যাঙ্কারে হামলা, আহত ১০ ক্রুকে উদ্ধার করল ওমান ১৫ বছর পর শাহরুখের সঙ্গে পর্দায় ফিরছেন কারিনা, ‘কিং’-এ বড় চমক যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় দলে ডাক পেলেন পাকিস্তানের সাবেক অনূর্ধ্ব-১৯ অধিনায়ক গাছ কেটে ডেটা সেন্টার, ফিনল্যান্ডে গুগলের কাজ বন্ধের নির্দেশ শিক্ষা নিয়ে ফ্রান্সজুড়ে আড়াই লাখ মানুষের বিক্ষোভ, সংঘর্ষে আহত শত শত গৃহযুদ্ধের ঝুঁকিতে ইসরায়েল, যেকোনো সময় ভেঙে পড়তে পারে রাষ্ট্র: সিআইএ

দুই কোটি শিশু টিকা পেয়েছে, আরও ৩৫ লাখকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬ | ১২:২৮ পিএম

দুই কোটি শিশু টিকা পেয়েছে, আরও ৩৫ লাখকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য

হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির আওতায় সারা দেশে ইতোমধ্যে দুই কোটি শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত। আগামী এক মাসে আরও প্রায় ৩৫ লাখ শিশুকে এই কর্মসূচির আওতায় আনার লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে বলেও জানান তিনি।

বুধবার (৭ অক্টোবর) হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী।

ডা. মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত বলেন, বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা পুনর্গঠনে যেসব চ্যালেঞ্জ রয়েছে, সেগুলো মোকাবিলায় নতুন সরকারের নেতৃত্বে কাজ চলছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নির্বাচনী প্রচারণা ও নির্বাচনী ইশতেহারে দেশের কোটি কোটি মানুষের স্বাস্থ্যসেবাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। জনগণের উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধমূলক কর্মসূচিতেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, বিভিন্ন টিকাদান কর্মসূচি অব্যাহত রাখার বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। এ কাজে যুক্তরাষ্ট্র সরকার, গ্যাভি, ইউনিসেফ এবং বিশেষ করে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনসহ দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মী ও মাঠপর্যায়ের কর্মীরা সহযোগিতা করছেন।

হাম প্রতিরোধে সরকারের নেওয়া উদ্যোগ তুলে ধরে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার ১৫ দিন পর থেকেই সরকার এ বিষয়ে কাজ শুরু করেছে। এরই মধ্যে সেই উদ্যোগের অগ্রগতি দৃশ্যমান। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার, সিটি করপোরেশন ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সারা দেশে দুই কোটি শিশুকে টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে।

তিনি বলেন, দুই কোটি শিশুকে টিকা দেওয়ার পরও সরকার সেখানে থেমে থাকেনি। কারণ প্রতিটি শিশুর জীবন মূল্যবান। একটি শিশুও যেন টিকাদান কর্মসূচির বাইরে না থাকে, সেটিই সরকারের লক্ষ্য। এ কারণেই এবারের কর্মসূচিকে ‘মপ-আপ ক্যাম্পেইন’ হিসেবে নেওয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জানান, এই কর্মসূচির মাধ্যমে দূরবর্তী এলাকার শিশু, প্রতিবন্ধী শিশু এবং আগের ধাপের টিকাদান কর্মসূচি থেকে কোনো কারণে বাদ পড়ে যাওয়া শিশুদের খুঁজে বের করে টিকা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব শিশুর প্রতিটি ঘরে পৌঁছানোর চেষ্টা করা হবে। প্রতিটি শিশুর কাছে পৌঁছে তাদের নিরাপত্তা ও জীবন নিশ্চিত করাই এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।

তিনি বলেন, এটি বাংলাদেশের জনগণের কাছে সরকারের অঙ্গীকার। সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে আগামী এক মাসের মধ্যে আরও প্রায় ৩৫ লাখ শিশুকে টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আনা সম্ভব হবে।

টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়নে সহযোগিতার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ডা. মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত বলেন, সবার সহযোগিতা ছাড়া এই কর্মসূচি সফল করা সম্ভব হতো না। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র সরকার, গ্যাভি ও ইউনিসেফ সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছে। পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর্মী, সিটি করপোরেশন ও সংশ্লিষ্ট সবাই অক্লান্ত পরিশ্রম করে কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি শিশুকে খুঁজে বের করছেন।

তিনি বলেন, দুর্গম পাহাড়ি এলাকা কিংবা প্রত্যন্ত চরাঞ্চলে বসবাসকারী শিশুর কাছেও টিকাদান কর্মসূচির আওতায় পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে। এটি সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, যত বাধা বা চ্যালেঞ্জই আসুক না কেন, সরকার জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এবং দেশি-বিদেশি সব প্রতিষ্ঠানকে সম্পৃক্ত করে জনগণের স্বাস্থ্যকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে। স্বাস্থ্যের বিষয়ে জনগণের কাছে যে অঙ্গীকার করা হয়েছে, সবাইকে সঙ্গে নিয়ে তা বাস্তবায়ন করা হবে।

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Default Advertisement

© 2026 Times of Asia 24 কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

Design and Development by : webnewsdesign.com