নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১:০৯ পিএম

সংগৃহীত ছবি
দেশের ভবিষ্যৎ অর্থনীতিতে সুনীল অর্থনীতি বা ‘ব্লু ইকোনমি’ গুরুত্বপূর্ণ খাত হয়ে উঠতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, বিশাল জনগোষ্ঠী বাংলাদেশের অন্যতম বড় সম্পদ। এই জনসংখ্যাকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তরের পাশাপাশি সমুদ্রসম্পদের সম্ভাবনাও কাজে লাগাতে হবে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের ক্রিস্টাল বলরুমে আয়োজিত দ্বিতীয় চীন-বাংলাদেশ প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা বিনিময় বিষয়ক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চল রয়েছে। এই বিশাল সামুদ্রিক অঞ্চলের সম্পদ ও সম্ভাবনা নিয়ে শিক্ষা ও গবেষণা আরও জোরদার করা প্রয়োজন। সুনীল অর্থনীতি ও সার্কুলার ইকোনমিকে কেন্দ্র করে একটি বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনাও রয়েছে।
তিনি বলেন, সুনীল অর্থনীতি নিয়ে চীনের গবেষক ও অধ্যাপকেরাও কাজ করছেন। ফলে এ খাতে দুই দেশের মধ্যে জ্ঞান ও গবেষণা বিনিময়ের বড় সুযোগ রয়েছে। সমুদ্রসম্পদের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর পাশাপাশি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাতেও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে।
ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন আরও বলেন, শিক্ষা খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা (টিভিইটি) খাতেও বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। এর মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করা সম্ভব হবে।
সম্প্রতি চীন সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, দেশটির শিল্প ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে যে কার্যকর সংযোগ রয়েছে, তা তিনি সরেজমিনে দেখেছেন। সেই অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন খাতে কাজে লাগানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষা ও গবেষণার মাধ্যমে চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করা সম্ভব। সুনীল অর্থনীতি, শিক্ষা, গবেষণা ও দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে চীনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাগুলো আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগানো যেতে পারে।
সেমিনারে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামসহ চীনের প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন।




© 2026 Times of Asia 24 কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত