সর্বশেষ
সিলেট সীমান্তে সাড়ে ১৫ লাখ টাকার চোরাইপণ্য জব্দ, পালিয়ে গেল কারবারিরা নুসরাত হত্যা: দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল, খালাস ১০ বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক-ইউনিভার্সাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের স্বাস্থ্যসেবা চুক্তি তরুণদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে বাংলাদেশ-ভারতকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান ‘জেলার ২’-এর গানে রজনীকান্তের সঙ্গে নেচে আলোচনায় শামনা কাসিম, কে এই অভিনেত্রী? তিউনিসিয়ার উপকূলে অভিবাসীবাহী নৌকাডুবি, ১২ মরদেহ উদ্ধার রেনোর দিকে ভয়াবহ দাবানল, ৪২ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে ইরানি রিয়ালের রেকর্ড পতন, ১ ডলারে মিলছে ২০ লাখ রিয়াল ‘অর্থনৈতিক, সামরিক ও নিরাপত্তা যুদ্ধে’ ইরান: পেজেশকিয়ান অস্ট্রেলিয়ার কাছে হারেও ফাইনালের স্বপ্ন বেঁচে বাংলাদেশের

নুসরাত হত্যা: দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল, খালাস ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশ : ২৪ অগাস্ট ২০২৬ | ৩:০৮ পিএম

নুসরাত হত্যা: দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল, খালাস ১০

ফেনীর সোনাগাজীর আলোচিত মাদরাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে চার আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ১০ আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ ডেথ রেফারেন্স, আপিল ও জেল আপিলের ওপর রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকা আসামিরা হলেন—সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদরাসার বহিষ্কৃত অধ্যক্ষ এস এম সিরাজ উদদৌলা ও শাহাদাত হোসেন ওরফে শামীম।

এর আগে গত ২০ আগস্ট মামলাটির ডেথ রেফারেন্স, আপিল ও জেল আপিলের ওপর শুনানি শেষ হয়।

যেভাবে হত্যা করা হয় নুসরাতকে

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ মাদরাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল নুসরাতকে মাদরাসার ছাদে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে তার হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।

গুরুতর দগ্ধ নুসরাতকে ঢাকায় নেওয়া হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ এপ্রিল তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান নোমান সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।

২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল মামলার রায়ে অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেন।

রায়ের পর একই বছরের ২৯ অক্টোবর মামলার ডেথ রেফারেন্সের নথিপত্র হাইকোর্টে পৌঁছায়। পরে এটি ডেথ রেফারেন্স নম্বর ১৪০/১৯ হিসেবে নথিভুক্ত হয়। আসামিরাও পৃথক আপিল ও জেল আপিল করেন।

দীর্ঘ শুনানি শেষে সোমবার হাইকোর্ট দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখার পাশাপাশি চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ১০ আসামিকে খালাস দেন।

Default Advertisement

© 2026 Times of Asia 24 কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

Design and Development by : webnewsdesign.com