সর্বশেষ
আমিরাতে হঠাৎ ভিসা বাতিলের আতঙ্ক, বিপাকে হাজারো বাংলাদেশি প্রবাসী শেখ হাসিনা আত্মসমর্পণ করতে চাইলে হয়তো আগেই গ্রেপ্তার করা হবে : আইনমন্ত্রী বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গা ফেরত নিতে চেয়েছে মিয়ানমার : আনোয়ার ইব্রাহিম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর নিয়ে অধীর অপেক্ষায় ভারত সৌদি আরব বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু টাওয়ার বানাচ্ছে যুদ্ধ কি আরও বিস্তৃত হতে পারে মধ্যপ্রাচ্যে? আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন নেইমার যুদ্ধের চাপ সামলে ইরানের অর্থনীতি কীভাবে টিকে আছে? বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারের মান নিয়ে যা বলল এইচআরডব্লিউ ভারত বা যুক্তরাষ্ট্র কারও আধিপত্য মেনে নেব না : নাহিদ ইসলাম

এই জয় আমাদের ফুটবলে অনেক পরিবর্তনের সূচনা করবে : হালান্ড

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশ : ০৬ জুলাই ২০২৬ | ১১:০৬ এএম

এই জয় আমাদের ফুটবলে অনেক পরিবর্তনের সূচনা করবে : হালান্ড

ছবি : সংগৃহীত

আর্লিং হলান্ডের সামনে সুযোগ মানেই যেন গোল। ব্রাজিলের বিপক্ষে ম্যাচেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। যখন দুই দলের খেলোয়াড়রাই একের পর এক সুযোগ নষ্ট করছিলেন, তখন পাওয়া দুটি সুযোগই কাজে লাগিয়ে জোড়া গোল করেন নরওয়ের এই তারকা স্ট্রাইকার। তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্সেই ব্রাজিলকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নেয় নরওয়ে।

ম্যাচ শেষে নিজের গোল করার সহজাত দক্ষতা নিয়ে হালান্ড বলেন, ‘সাধারণত এমনই হয়। আমি যদি একটি বা দুটি সুযোগ পাই, সেগুলো গোলে পরিণত হয়। কীভাবে করি, সেটা আমি নিজেও ঠিক জানি না। তবে সবকিছুর মূল হলো মনোযোগ ধরে রাখা। সুযোগ এলে সেটাকে কাজে লাগাতেই হয়।’

এই জয় নরওয়ের ফুটবল ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। এর আগে বিশ্বকাপে তাদের সর্বোচ্চ সাফল্য ছিল শেষ ষোলোতে ওঠা। এরপর টানা ছয়টি বিশ্বকাপ তারা দর্শক হিসেবেই কাটিয়েছে। দীর্ঘ ২৮ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরে এবার সরাসরি শেষ আটে উঠে ইতিহাস গড়েছে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশটি।

এই অর্জনের গুরুত্ব তুলে ধরে হালান্ড বলেন, ‘আমার মনে হয়, নরওয়ের ফুটবল ইতিহাসে এটি সবচেয়ে পাগলাটে এবং অবিশ্বাস্য রাতগুলোর একটি। আমি আশা করি, এই জয় আমাদের ফুটবলে অনেক পরিবর্তনের সূচনা করবে।’

ব্রাজিলের ফুটবল সংস্কৃতির প্রশংসাও করেন তিনি। হালান্ডের ভাষায়, ‘আমরা ব্রাজিলের কাছ থেকে শিখতে পারি। হয়তো তাদের মতো হুবহু নয়, কিন্তু দেশের হয়ে খেলার যে গর্ব তারা অনুভব করে, সেটি আমাদের মধ্যেও থাকা উচিত। নরওয়ের প্রতিটি শিশুর স্বপ্ন হওয়া উচিত জাতীয় দলের জার্সি গায়ে দেশের প্রতিনিধিত্ব করা।’

দলের লড়াকু মানসিকতারও প্রশংসা করেন এই স্ট্রাইকার। তিনি বলেন, ‘আমরা ভয়ডর ভুলে বুক চিতিয়ে খেলেছি এবং মাঠে নিজেদের সর্বস্ব উজাড় করে দিয়েছি। যারা এই সাক্ষাৎকার দেখছ, আশা করি বড় হয়ে তোমরাও নরওয়ের হয়ে খেলতে চাইবে এবং এটিকে জীবনের সবচেয়ে বড় গর্ব হিসেবে দেখবে। এই মুহূর্ত সত্যিই অবিশ্বাস্য।’

বিশ্বকাপে এবার নরওয়ের প্রতিটি জয়ের পরই সমর্থকদের ঐতিহ্যবাহী ‘ভাইকিং’ উদযাপনে মেতে উঠতে দেখা গেছে। ব্রাজিলকে হারানোর পরও গ্যালারিতে দীর্ঘ সময় ধরে হালান্ড, মার্টিন ওডেগার্ডদের সঙ্গে কণ্ঠ মিলিয়ে গান গেয়েছেন সমর্থকেরা। দেশের মানুষের সেই আনন্দের অংশ হতে না পারার আক্ষেপও ঝরেছে হালান্ডের কণ্ঠে।

তিনি বলেন, ‘ইশ, যদি এখন দেশের রাস্তায় সমর্থকদের সঙ্গে থাকতে পারতাম! আমিও যদি সেই আনন্দে শামিল হতে পারতাম। সবাইকে বলব, এই মুহূর্তটা প্রাণভরে উপভোগ করুন। পুরো নরওয়েরই এখন উদযাপন করার সময়। আমার বিশ্বাস, এটি আমাদের ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় দিন।’

Default Advertisement

© 2026 Times of Asia 24 কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

Design and Development by : webnewsdesign.com