ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ : ০৫ অগাস্ট ২০২৬ | ১১:১৩ এএম

শ্রীলঙ্কায় ভারী বৃষ্টির কারণে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে অন্তত সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করেছে দেশটির সরকার।
সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাহাড়ি চা-বাগান অধ্যুষিত মধ্যাঞ্চলে প্রবল বৃষ্টির পর আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধস দেখা দেয়। এর আগে ঘূর্ণিঝড় ডিটওয়াহের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাটি এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে পারেনি।
শ্রীলঙ্কার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রের মুখপাত্র প্রদীপ কোডিপ্পিলি জানান, মধ্যাঞ্চলে ভূমিধসে দুটি বাড়ি ধসে পড়ে পাঁচজন নিহত হয়েছেন। এছাড়া বন্যার পানিতে ডুবে আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে।
তিনি জানান, বন্যা ও ভূমিধসে ১২৯টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দুর্গত এলাকা থেকে নিরাপত্তার জন্য প্রায় ৩ হাজার ৫০০ মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধারে নৌবাহিনী ও সেনাবাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। স্থানীয় টেলিভিশনে প্রচারিত ভিডিওতে দেখা গেছে, সেনাসদস্যরা পানিতে তলিয়ে যাওয়া সড়ক দিয়ে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে উদ্ধার করছেন।
শ্রীলঙ্কার নুওয়ারা এলিয়া ও বাদুল্লাসহ মধ্যাঞ্চলের পাহাড়ি এলাকাগুলো বর্ষা মৌসুমে প্রায়ই ভূমিধসের ঝুঁকিতে থাকে।
আল জাজিরার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের শেষ দিকে ঘূর্ণিঝড় ডিটওয়াহের প্রভাবে একই অঞ্চলে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে প্রায় ৬৪০ জন নিহত হন এবং প্রায় ৪১০ কোটি মার্কিন ডলারের ক্ষয়ক্ষতি হয়। ওই সময়ও দেশজুড়ে স্কুল ও সরকারি অফিস বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল।



© 2026 Times of Asia 24 কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত