সর্বশেষ
দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ডের পর শূন্যেও সবার ওপরে অভিষেক পরমাণু অস্ত্র নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্তের পথে ন্যাটো সদস্য লিথুয়ানিয়া চলন্ত মেট্রোরেলের দরজা খুলে যাওয়ায় ২৬ মিনিট বন্ধ ছিল ট্রেন চলাচল এশিয়ান গেমসে টানা তৃতীয় হার বাংলাদেশের নারী হকি দলের ঢাকায় অফিস খুলতে আগ্রহী মেটা: শামা ওবায়েদ দাবানলের বিষাক্ত ধোঁয়ায় ইন্দোনেশিয়ায় অসুস্থ প্রায় ২ লাখ ট্রাম্পের নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা তুরস্কে স্কুলের সামনে বন্দুক হামলা, আহত ১১ শিক্ষার্থী কাতারের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্রকে যেসব শর্ত দিল ইরান রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমিতে মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের বিকল্প নেই: প্রধানমন্ত্রী

সিলেটে শিশু ফাহিমা হত্যা: প্রধান আসামির মৃত্যুদণ্ড, দুই ভাই খালাস

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ০৬ অগাস্ট ২০২৬ | ৪:৫৫ পিএম

সিলেটে শিশু ফাহিমা হত্যা: প্রধান আসামির মৃত্যুদণ্ড, দুই ভাই খালাস

সিলেটের বহুল আলোচিত চার বছরের শিশু ফাহিমা আক্তার হত্যা মামলায় প্রধান আসামি জাকির হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তবে একই মামলায় অভিযুক্ত জাকিরের দুই ভাই জয়নাল আহমদ ও আবুল কালামকে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সিলেট নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবু উবায়দা এ রায় ঘোষণা করেন। হত্যাকাণ্ডের মাত্র তিন মাসের মাথায় মামলার বিচার কার্যক্রম শেষ করে এ রায় দেওয়া হলো। এর আগে ঘটনার এক মাস পাঁচ দিনের মধ্যে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

অভিযোগপত্রে জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যার অভিযোগ আনা হয়। এছাড়া মরদেহ গুমে সহযোগিতার অভিযোগে তার দুই ভাই জয়নাল আহমদ ও আবুল কালামকে আসামি করা হয়েছিল।

নিহত ফাহিমা আক্তার সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নের সোনাতলা গ্রামের দিনমজুর রাইসুল হকের মেয়ে। দণ্ডপ্রাপ্ত জাকির হোসেন (৩০) একই গ্রামের বাসিন্দা এবং ফাহিমাদের প্রতিবেশী। তিনি মৃত তোতা মিয়ার ছেলে।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গত ৬ মে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় ফাহিমা। দুই দিন পর ৮ মে রাতে বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ১১ মে রাতে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে প্রতিবেশী জাকির হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তদন্ত চলাকালে জাকির পুলিশ ও আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে হত্যার দায় স্বীকার করেন। জবানবন্দি অনুযায়ী, সিগারেট আনার কথা বলে তিনি শিশুটিকে দোকানে পাঠান। ফেরার পর ঘর ফাঁকা পেয়ে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এ সময় শিশুটি অচেতন হয়ে পড়লে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। পরে মরদেহ গুমের চেষ্টা ব্যর্থ হলে বাড়ির পাশের একটি পুকুরসংলগ্ন ডোবায় মরদেহ ফেলে দেন বলে তিনি জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন।

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

© 2026 Times of Asia 24 কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

Design and Development by : webnewsdesign.com