ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ : ২৭ অগাস্ট ২০২৬ | ৭:৩০ এএম

আবহাওয়ার পরিবর্তন ও অতিরিক্ত আর্দ্রতায় অনেকেরই গলাব্যথা, সর্দি-কাশি, শরীর ম্যাজম্যাজ করা কিংবা দুর্বল লাগার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। এ সময় পর্যাপ্ত পানি পান, পুষ্টিকর খাবার ও বিশ্রামের পাশাপাশি কিছু উষ্ণ বা ঘরোয়া পানীয় গলার অস্বস্তিতে সাময়িক আরাম দিতে পারে। তবে এসব পানীয় কোনো রোগের চিকিৎসা বা ওষুধের বিকল্প নয়।
সকালে তুলসি-আমলকির পানীয়
দিনের শুরুতে তুলসি, আমলকি ও আদা দিয়ে তৈরি পানীয় খেতে পারেন। আমলকিতে ভিটামিন সি রয়েছে। পানীয়টি তৈরি করতে ৪ থেকে ৬টি তুলসীপাতা, অর্ধেক আমলকি বা এক চা-চামচ লেবুর রস এবং এক টুকরা আদা ব্লেন্ডারে নিন। চাইলে কয়েকটি পুদিনাপাতা বা সামান্য কাঁচা হলুদও দিতে পারেন। দেড় কাপ পানি বা ডাবের পানি এবং এক চিমটি বিট লবণ দিয়ে ভালোভাবে ব্লেন্ড করে ছেঁকে পান করুন।
যাঁদের গ্যাস্ট্রিক বা অম্লতার সমস্যা রয়েছে, তাঁরা খালি পেটে না খেয়ে খাবারের পর পান করতে পারেন।
সন্ধ্যায় হলুদ-দুধ
গলার অস্বস্তিতে সন্ধ্যায় এক গ্লাস গরম দুধের সঙ্গে সামান্য হলুদ মিশিয়ে পান করা যেতে পারে। স্বাদ বাড়াতে এতে এক চিমটি দারুচিনি ও গোলমরিচ দেওয়া যায়। উষ্ণ তরল গলার অস্বস্তিতে সাময়িক স্বস্তি দিতে পারে।
তবে দুধে অ্যালার্জি বা দুধ হজমে সমস্যা থাকলে এই পানীয় এড়িয়ে চলা উচিত।
গলা খুসখুসে হলে আদা-হলুদের পানীয়
গলা খুসখুস বা অস্বস্তি হলে উষ্ণ আদা-হলুদের পানীয় চুমুক দিয়ে খেতে পারেন। আদা, কাঁচা হলুদ ও সামান্য গোলমরিচ ব্লেন্ড করে বরফের ট্রেতে রেখে ছোট ছোট কিউব তৈরি করে রাখা যায়। প্রয়োজন হলে একটি কিউব কাপে নিয়ে তার ওপর গরম পানি ঢেলে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে কুসুম গরম অবস্থায় ধীরে ধীরে পান করা যায়।
পানি ও বিশ্রামও জরুরি
সর্দি-কাশি বা গলাব্যথা হলেই কোনো বিশেষ পানীয় খেলে দ্রুত সুস্থ হয়ে যাওয়ার নিশ্চয়তা নেই। এ সময় পর্যাপ্ত পানি পান, পুষ্টিকর খাবার খাওয়া, ভালো ঘুম ও বিশ্রাম গুরুত্বপূর্ণ। প্রয়োজন অনুযায়ী উষ্ণ তরল পান করলে গলার অস্বস্তিতে সাময়িক আরাম মিলতে পারে।
তবে কয়েক দিন ধরে জ্বর থাকলে, জ্বরের মাত্রা বেশি হলে, গিলতে খুব কষ্ট হলে, শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে বা অস্বাভাবিক দুর্বলতা বাড়লে শুধু ঘরোয়া পানীয়ের ওপর নির্ভর না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।



© 2026 Times of Asia 24 কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত