ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ : ২৫ অগাস্ট ২০২৬ | ৮:২৯ এএম

ছবি: -সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়েছে ইরান। দেশটির অর্থনীতিকে বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন করতে তেল, সোনা, প্রযুক্তিসহ আয়ের বিভিন্ন উৎসে চাপ বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে ওয়াশিংটন। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এ পদক্ষেপকে ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’ নামে অভিহিত করেছেন।
তবে নতুন নিষেধাজ্ঞায় খুব একটা বিচলিত নয় তেহরান। কয়েক দশক ধরে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার সঙ্গে লড়াই করে আসা ইরানের কাছে এটি পুরোনো বাস্তবতারই পুনরাবৃত্তি।
তবে নিষেধাজ্ঞার প্রভাব নিয়ে সাধারণ মানুষ ও রাজনীতিকদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। দেশটিতে মূল্যস্ফীতি বাড়ছে, নিত্যপণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী এবং স্থানীয় মুদ্রার মান রেকর্ড পরিমাণে কমেছে। এতে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়ছে।
ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ যুক্তরাষ্ট্রের নতুন পদক্ষেপকে গুরুত্ব না দেওয়ার বার্তা দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, মার্কিনিদের এসব বক্তব্য বিশ্বাস করার মতো নয়। অন্য দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক সীমিত করার মতো অর্থনৈতিক অবস্থানে যুক্তরাষ্ট্র নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, নতুন নিষেধাজ্ঞার মূল লক্ষ্য তেহরানকে চাপের মুখে ফেলে নত করা। তবে নিজেদের অধিকার থেকে সরে আসবে না ইরান। বরং নিষেধাজ্ঞা মোকাবিলা করে প্রতিরোধ ও ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয় জানিয়েছে দেশটি।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিভিন্ন দেশকে ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার আহ্বান জানিয়েছেন। মিত্রদের যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যেকোনো একটি পক্ষ বেছে নেওয়ার বার্তাও দিয়েছেন তিনি।
তবে ওয়াশিংটনের চাপ ও নতুন নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও মাথা নত না করার অবস্থানেই অনড় রয়েছে তেহরান।



© 2026 Times of Asia 24 কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত