নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০২ নভেম্বর ২০২৬ | ৭:৩৬ পিএম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর উপজেলার বিরাসার গ্রামে নেশার টাকার জন্য মারুফা আক্তার (৪৫) নামে এক নারীকে তাঁর স্বামী হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সোমবার সকালে বসতঘর থেকে ওই নারীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত স্বামী কুদ্দুস মিয়া পলাতক রয়েছেন।
নিহত মারুফা আক্তার সদর উপজেলার উলচাপাড়া গ্রামের তাহের মিয়ার মেয়ে। মাত্র এক মাস আগে কুদ্দুস মিয়ার সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। তিনি কুদ্দুসের তৃতীয় স্ত্রী ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কুদ্দুস মিয়া মাদকাসক্ত। নেশার টাকার জন্য তিনি প্রায়ই স্ত্রীকে মারধর করতেন। গত রোববার রাতেও স্ত্রীর কাছে টাকা চান তিনি। মারুফা টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাঁকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
সোমবার সকালে ঘরের ভেতর থেকে মারুফার কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। একপর্যায়ে মোবাইল ফোনের রিংটোনের শব্দ শুনে তাঁরা ঘরের ভেতরে প্রবেশ করেন। এ সময় মারুফার রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে পুলিশ ও নিহতের পরিবারকে খবর দেওয়া হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। নিহতের পরিবারের অভিযোগ, নেশার টাকার জন্য স্ত্রীকে হত্যা করে পালিয়ে গেছেন কুদ্দুস মিয়া।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খাইরুল আলম জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে তাঁর স্বামী পলাতক রয়েছেন। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।





© 2026 Times of Asia 24 কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত