সর্বশেষ
‘বকুলপুরে’ আবারও কোনাল, ফিরছে সেই জনপ্রিয় গান ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, জাতিসংঘে তুলে ধরবেন ‘নতুন বাংলাদেশ’-এর ভিশন হোয়াইটওয়াশের ধাক্কায় ইতিহাসের সর্বনিম্ন র‌্যাঙ্কিংয়ে পাকিস্তান ভেনিসের হামলা নিয়ে দেশে ফিরে মুখ খুললেন বাঁধন বিশ্বনেতাদের পাতে ভারতের নিরামিষের বাহার, ব্রিকস সম্মেলনে মেন্যুতে যা যা ২৪ ঘণ্টায় সৌদির ৫৮ বিমান হামলা, হুথির হুঁশিয়ারি—‘শাস্তি আসছে’ বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সুলিভানের জোড়া গোল, ৫-০ গোলে উড়ল সান দিয়েগো ইরানের ভয়াবহ হামলায় চীনা স্যাটেলাইট প্রযুক্তি! উদ্বিগ্ন যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ শেষ হলেও ইরান ছাড়বে না যুক্তরাষ্ট্র? তেলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ট্রাম্পের বড় ইঙ্গিত অনলাইন জুয়ার ছোবলে ২ কোটি মানুষ! হাজার কোটি টাকার লেনদেন, বাড়ছে সাইবার অপরাধ

শিশু রামিসা হত্যা: সোহেল রানা ও তার স্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড চায় রাষ্ট্রপক্ষ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ০৪ জুন ২০২৬ | ৪:৪৭ পিএম

শিশু রামিসা হত্যা: সোহেল রানা ও তার স্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড চায় রাষ্ট্রপক্ষ

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের মৃত্যুদণ্ড চেয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) আদালতে শুনানি শেষে অভিযুক্ত দম্পতির মৃত্যুদণ্ড চান রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী।

রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর আজিজুল রহমান দুলু আদালতে বলেন, সাক্ষীদের সাক্ষ্য, জব্দ আলামত ও অন্যান্য তথ্য-প্রমাণে আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। ন্যায়বিচারের স্বার্থে তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের দাবি জানান তিনি।

এর আগে শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু আদালতে আসামি সোহেলের ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় কী জবানবন্দি দিয়েছেন, তা পড়ে শোনান।

গ্রেপ্তারের পর আসামি সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ১৬৪ ধারার জবানবন্দিতে বলেন, ‘আমার নাম সোহেল রানা। ওই বাসার তৃতীয় তলায় ভাড়া থাকি। এ বাসার তিন তলায় তিনটি ফ্ল্যাটে তিনজন থাকে। সকালে তারা কাজে বাসা থেকে বের হয়। আমি নিয়মিত নেশা করি।’

সোহেল আরও বলেন, ‘পাশের বাসার ৮ বছরের শিশু রামিসা তাদের বাসার বাইরে এলে তাকে ডাক দিই। সে এলে তাকে বাথরুমে জোরপূর্বক নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করি। এরপর সে চিৎকার করলে মুখ চেপে ধরি। মুখে ওড়না বেঁধে আমি তাকে ধর্ষণ করি। এরপর সে অজ্ঞান হয়ে গেলে তাকে মৃত ভেবে রুম থেকে ছুরি আনি। লাশ গুম করতে চাই। এরপর তার মাথা কেটে বিচ্ছিন্ন করি। পরে হাত কেটে বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা করি। এ সময় শিশুটির মা খোঁজাখুঁজি করে দরজার বাইরে জুতা দেখে ডাকাডাকি করে। আমি ভয় পাই। পরে সেলাইরেঞ্জ দিয়ে গ্রিল কেটে বাইরে পালিয়ে যাই।’

যুক্তিতর্কে এখন আসামিপক্ষের শুনানি চলছে। যুক্তিতর্ক শুনানিতে তোলার আগে অসুস্থতা অনুভব করেন সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার। পরে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে আদালতের কাঠগড়ায় তোলা হয়।

এর আগে মঙ্গলবার (২ জুন) রামিসার বাবা, মা, বোন, স্বজন, প্রতিবেশী প্রত্যক্ষদর্শী ও তদন্ত কর্মকর্তাসহ ১৬ জন সাক্ষ্য দেন। গত ১৯ মে রাজধানীর পল্লবীর একটি বাসা থেকে আট বছরের শিশু রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ফ্ল্যাটটিতে বসবাসকারী সোহেল রানা ও তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর আদালতের কাছে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় ধর্ষণ ও হত্যার দায় স্বীকার করেছিল সোহেল।

Default Advertisement

© 2026 Times of Asia 24 কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

Design and Development by : webnewsdesign.com