ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ৩:৩৫ পিএম

মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক জোটের ওপর এককভাবে নির্ভর করা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি। তিনি বলেছেন, নিজেদের নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলতে উপসাগরীয় দেশগুলোকে আরও বেশি স্বনির্ভর হতে হবে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত ‘হিলি ফোরাম’-এ তিনি এসব কথা বলেন।
মাজেদ আল-আনসারি বলেন, উপসাগরীয় অঞ্চলে আন্তর্জাতিক বাহিনীর উপস্থিতি এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কৌশলগত জোট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শুধু এসবের ওপর নির্ভর করা যথেষ্ট নয়।
তিনি বলেন, ‘নিরাপত্তার ক্ষেত্রে স্বনির্ভরতাই হলো একমাত্র পথ। আমাদের অংশীদার ও মিত্রদের প্রয়োজন আছে। কিন্তু নিরাপত্তার জন্য আমরা কেবল তাদের ওপর নির্ভর করতে পারি না।’
কাতার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সংঘাতে গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে। একই সঙ্গে দেশটি ইরানের তীব্র হামলারও শিকার হয়েছে। বিশেষ করে কাতারের জ্বালানি অবকাঠামোয় একাধিকবার হামলার ঘটনা ঘটেছে।
ছোট অথচ সম্পদশালী ও গ্যাসসমৃদ্ধ দেশ কাতারেই মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে বড় মার্কিন সামরিক ঘাঁটি অবস্থিত। সংঘাত চলাকালে তেহরানের ওপর মার্কিন হামলার জবাবে মার্কিন সামরিক স্থাপনা এবং এ অঞ্চলের জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে পাল্টা হামলা চালানো হয়েছে।
ছয় মাস ধরে চলা এই সংঘাতে উভয় পক্ষই এখন অচলাবস্থার মুখে পড়েছে। একদিকে ইরান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে নিজেদের নিরাপত্তা বলয় তৈরি করছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র তেহরানের বন্দরগুলোর ওপর পাল্টা অবরোধ আরোপের জন্য চাপ দিচ্ছে।
গত মাসে কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুল রহমান আল থানি মধ্যস্থতার অংশ হিসেবে তেহরান সফর করেন। এর আগে হরমুজ প্রণালির সীমান্তবর্তী দেশ ইরান ও ওমান জানিয়েছিল, তারা একটি অস্থায়ী নৌ-চলাচল করিডোর তৈরি এবং মাইন অপসারণের বিষয়ে আলোচনা করছে।
সূত্র: এএফপি



© 2026 Times of Asia 24 কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত