সর্বশেষ

বছরে ১০ হাজার বাংলাদেশি শ্রমিক বৈধভাবে যেতে পারবেন ইতালিতে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ৩:৪১ পিএম

বছরে ১০ হাজার বাংলাদেশি শ্রমিক বৈধভাবে যেতে পারবেন ইতালিতে

প্রতিবছর ১০ হাজার বাংলাদেশি বৈধ শ্রমিকের ইতালিতে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। পরিবারসহ এ সংখ্যা ১২ হাজার বলে জানান তিনি।

সোমবার সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তনিও আলেসান্দ্রো সাক্ষাৎ করেন। এ সময় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম ও সচিব মো. শহিদুল হাসান উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী ও রাষ্ট্রদূত।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইতালিতে বিপুলসংখ্যক অবৈধ অভিবাসী রয়েছেন। দেশটিতে অবস্থানরত প্রায় আড়াই লাখ বাংলাদেশির ৬০ থেকে ৭০ শতাংশই শরীয়তপুর ও মাদারীপুর অঞ্চলের। সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইতালি যাওয়ার ঝুঁকি কমাতে শরীয়তপুর, মাদারীপুর ও ফরিদপুর অঞ্চলে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে যৌথ কর্মশালা আয়োজনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, অবৈধভাবে ইতালিতে অবস্থানরতদের বৈধ করার বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। আর দালালের মাধ্যমে যারা অবৈধভাবে ইতালি যাচ্ছেন, তাদের বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ব্যবস্থা নেবে।

মালয়েশিয়ায় শ্রমিক নেওয়ার বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, মালয়েশিয়ার হাইকমিশনারকে দুই লাখ বাংলাদেশি শ্রমিক নেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ২০১৫ সাল থেকে খাদ্য অপচয় রোধ ও খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করা ইতালির মিলান শহরের মডেলে বাংলাদেশেও কাজ করতে সম্মত হয়েছে ইতালি। এ উদ্যোগের জন্য খুলনা সিটি করপোরেশনকে বেছে নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, বৈঠকে বাংলাদেশি কর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধি, ভাষা প্রশিক্ষণ এবং পরিবেশগত ব্যবস্থাপনায় পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতে দুই দেশ একমত হয়েছে।

বাংলাদেশি স্থপতিদের দক্ষতা বাড়াতে ইতালিতে প্রশিক্ষণের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। নির্দিষ্ট তালিকা পাঠানো হলে সিটি করপোরেশনের মেয়র ও স্থপতিদের এ সফরে পাঠানো হবে। দক্ষ জনশক্তি রপ্তানির অংশ হিসেবে বাংলাদেশি কর্মী ও প্রশিক্ষকদের ইতালীয় ভাষা শেখাতে ইতালি থেকে প্রতিনিধি পাঠানো হবে। দেশের যেকোনো একটি ইনস্টিটিউটের মাধ্যমে এ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

রাষ্ট্রদূত আন্তনিও আলেসান্দ্রো সাংবাদিকদের বলেন, বৈঠকে বাণিজ্য, অভিবাসন এবং দুই দেশের শহরগুলোর মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক (টুইনশিপ) নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এটি সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎ হলেও ইতালি ও বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে কীভাবে একসঙ্গে কাজ করা যায়, সে বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।

তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় স্বাভাবিকভাবেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই এ ধরনের মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করা এবং সহযোগিতার নতুন নতুন ক্ষেত্র তৈরি ও উৎসাহিত করতে ইতালি সবসময়ই আগ্রহী।

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Default Advertisement

© 2026 Times of Asia 24 কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

Design and Development by : webnewsdesign.com